1. admin@dainikujanvati.com : Hbm Khairul : Hbm Khairul
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শীর্ষ মুজিব সন্ত্রাসী ফজলুর রহমান থেকে কিশোরগঞ্জবাসীকে উদ্ধার করেনঃ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভৈরবের শম্ভুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির নতুন সভাপতি জামাল উদ্দিন সুস্থ সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে চাঁদপুরে ‘বিজয়ী’র ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হোসেন্দী আদর্শ ডিগ্রি কলেজের সভাপতি হলেন অ্যাডভোকেট মাহবুবা জান্নাত মুমু কটিয়াদীতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় অসহায়, অসুস্থ ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে চিকিৎসা সহায়তার চেক বিতরণ নৈতিক স্খলন প্রমাণ হওয়ায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার কটিয়াদীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও ক্রেস্ট প্রদান কুলিয়ারচরে এলজিইডি’র রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী! এলাকাবাসীর তোপের মুখে কাজ বন্ধ!! সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটি ছাত্রদলের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক কিশোরগঞ্জের মোশারফ হোসেন রনি কুলিয়ারচরে ইউএনও’র ব্যতিক্রমী পদক্ষেপে ভেঙ্গে যাওয়ার পথে দম্পতির মুখে আবার ফুটেছে হাসির ঝিলিক

রাষ্ট্রীয় শোক অবমাননা ও একাত্তর টিভির সাংবাদিকের ক্যামেরা ভাঙচুরের ঘটনায় “বিআরজেএ”র তীব্র নিন্দা

  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৪২৮ বার পড়া হয়েছে

প্রেস রিলিজঃ

রাষ্ট্রীয় শোকের দিনে খুলনা ওয়াসার কর্মকর্তাদের ভুরিভোজের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে একাত্তর টেলিভিশনের সাংবাদিকের ওপর হামলা ও ক্যামেরা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক অ্যাসোসিয়েশন (বিআরজেএ)।

আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সংগঠনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী এবং মহাসচিব শেখ মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এক যৌথ বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ জানান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালীন বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) খুলনা ওয়াসার এমডির নির্দেশে ডিএমডি (অর্থ ও প্রশাসন) ঝুমুর বালাসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা সাধারণ ছুটির দিনে অফিস করেন। তবে সেই কাজ ছিল মূলত একটি ‘ভুরিভোজ’ অনুষ্ঠান। একটি অভিজাত হোটেল থেকে ৩৫ প্যাকেট দামি খাবার আনা হয় কর্মকর্তাদের জন্য, যা শোকের আবহের মধ্যে অত্যন্ত অমানবিক ও ধৃষ্টতাপূর্ণ।

সরেজমিনে দেখা যায়, শোকের দিনে ওয়াসা ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করা হয়নি। এমনকি নিয়ম অনুযায়ী কালো পতাকা উত্তোলন কিংবা শোকবার্তা সম্বলিত কোনো ব্যানার টাঙানো হয়নি। ডিএমডি ঝুমুর বালাসহ কোনো কর্মকর্তাই বুকে শোকের প্রতীক কালো ব্যাজ ধারণ করেননি।

গণমাধ্যমকর্মীরা যখন এই শোক অবমাননা ও ভুরিভোজের সংবাদ সংগ্রহ করতে ওয়াসা অফিসের সামনে অবস্থান নেন, তখন ডিএমডি ঝুমুর বালা কালো গ্লাসের ব্যক্তিগত গাড়িতে করে দ্রুত অফিস ত্যাগ করার চেষ্টা করেন।

সাংবাদিকরা তাঁর সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে তাঁর সাথে থাকা লোকজন সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হয়। এসময় একাত্তর টেলিভিশনের রিপোর্টারের ওপর হামলা চালিয়ে তাঁর ক্যামেরা ভাঙচুর করা হয়। কর্মকর্তাদের গাড়িটি কোনো উত্তর না দিয়েই দ্রুত গতিতে এলাকা ত্যাগ করে।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক অ্যাসোসিয়েশন (বিআরজেএ)’র নেতৃবৃন্দ বলেন, “পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও ক্যামেরা ভাঙচুর স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ। একইসাথে রাষ্ট্রীয় শোকের দিনে সরকারি অফিসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত না রাখা এবং ভুরিভোজের আয়োজন করা আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।”

বিবৃতিতে দোষী কর্মকর্তাদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। অন্যথায় দেশব্যাপী সাংবাদিকদের নিয়ে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই ধরণের আরও নিউজ