1. admin@dainikujanvati.com : Hbm Khairul : Hbm Khairul
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বেলাবোতে উপজেলা ছাত্রদলের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের মানববন্ধন গাজীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন কালীগঞ্জের ইউএনও এটিএম কামরুল ইসলাম ইটনায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বাজিতপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নরসিংদীর মাও. ওমর ফারুক’র ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, মাদক-সন্ত্রাস দমনের দাবি কটিয়াদীর চাঞ্চল্যকর আনোয়ার হত্যা মামলার প্রধান আসামী মহরম আলী গ্রেপ্তার ১৯৯তম ঈদুল আযহার ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান কিশোরগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে পুনঃস্থাপন সাবেক প্রধানন্ত্রী খালেদা জিয়ার নাম ফলক ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও হত্যার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দাবিতে নিকলীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জ হাওরের নিজ এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে এমপি ফজলুর রহমান

  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রামে অতিবৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে সাড়ে ৭ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান। ফলে বোরো ধান কাটতে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কৃষকরা। পাশাপাশি শ্রমিক সংকটের কারণেও বোরো ধান কাটতে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পোহাচ্ছেন।

এই পরিস্থিতিতে জাতীয় সংসদ অধিবেশন সমাপ্ত হওয়ার পরদিনই আজ ৬শুক্রবার (১ মে) হাওরের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলা) আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান।

এই সময় তিনি কৃষকদের বলেন, আমার নেতা তারেক রহমানের নির্দেশে আপনাদের দেখতে এসেছি। তারেক রহমান ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাস খাওয়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন। নিজের মনকে ছোট করবেন না। আমরা আপনাদের পাশে আছি। যতটুকু পারি কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করবো।

এদিকে উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে হাওরের ধনু, সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বাড়ছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে ফসলরক্ষা বাঁধ উপচে হাওরের বিশাল এলাকা তলিয়ে যেতে পারে। এই আশঙ্কায় কৃষকদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে।

কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম ও নিকলী-এই চার উপজেলা পুরোপুরি হাওর এলাকা। এছাড়াও করিমগঞ্জ, তাড়াইল, কটিয়াদী, বাজিতপুর ও ভৈরবের কিছু এলাকাও হাওর হিসেবে পরিচিত। হাওরের কৃষকরা একমাত্র বোরো ফসলের ওপর নির্ভরশীল। এই একটি ফসল (বোরো ধান) দিয়েই চলে তাদের সারা বছরের সংসার।

কিশোরগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই বছর জেলায় ১ লাখ ৬৮ হাজার ২৬২ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে হাওরেই ১ লাখ ৪ হাজার ৫৮১ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৯৬ হাজার ৬৯৬ মেট্রিক টন চাল।

কিশোরগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. সাদিকুর রহমান জানান, বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও বৃষ্টিতে প্রায় ৬ হাজার ৭৬৮ হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। দুই দিন ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় পানি স্থিতিশীল রয়েছে। ইতিমধ্যে ৫৫ ভাগ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়নে কাজ করছে কৃষি বিভাগ। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই ধরণের আরও নিউজ