রুহুল আমিন, তাড়াইল থেকেঃ
কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় এলপিজি (লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস) সিলিন্ডারের তীব্র সঙ্কট বিরাজ করছে। বাজারে চাহিদা থাকলেও পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। এ সঙ্কট দিন দিন আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
তাড়াইল উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, অনেক দোকানেই এলপিজি সিলিন্ডার নেই। কোথাও বা সীমিত সংখ্যক সিলিন্ডার এলেও তা দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে ক্রেতাদের এক দোকান থেকে আরেক দোকানে ঘুরতে হচ্ছে। অনেকেই নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে গ্যাস কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। উপজেলার সবকটি বাজারেই ১৮শ’ থেকে ২২শ’ টাকায় সিলেন্ডার বিক্রি হচ্ছে।
স্থানীয় গৃহিণী রেহানা বেগম বলেন, দুই দিন ধরে গ্যাসের জন্য দোকানে দোকানে ঘুরে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। সেকান্দর নগর বাজার ও পুরুড়া বাজারের ব্যবসায়ী শামীম মিয়া ও আলতাফ মিয়া জানান, ডিলারদের কাছ থেকে চাহিদা অনুযায়ী এলপিজি সিলিন্ডার পাচ্ছি না। সরবরাহ না থাকলে আমাদের কিছু করার থাকে না। অনন্য ব্যবসায়ীরা জানান, পরিবহন সঙ্কট ও সরবরাহ ব্যবস্থার অস্থিরতার কারণে নিয়মিত গ্যাস আসছে না। ফলে বাজারে কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি হচ্ছে বলেও মনে করছেন।
এ দিকে রমজান মাসে সাহরি ও ইফতারের সময় রান্নার চাপ বেড়ে যায় কয়েক গুণ। এ সময় গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকলে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছতে পারে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ বেশি
ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ভোক্তারা দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করা, বাজার মনিটরিং জোরদার এবং নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস বিক্রি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন৷ উপজেলা প্রশাসনের কাছে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত কার্যকর পদপেক্ষ নেয়া হলে রমজানে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হবেন না এমনটাই প্রত্যাশা।