1. admin@dainikujanvati.com : Hbm Khairul : Hbm Khairul
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ ৫০ টি চোরাই যাওয়া ও হারানো মোবাইল উদ্ধার ও হস্তান্তর করেছে ইটনায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন কিশোরগঞ্জ পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলে এসএসসি ব্যাচ-২০২৬ এর বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৭০৫ শিশুকে দেওয়া হবে হাম-রুবেলা টিকা সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন ডাঃ অভিজিৎ শর্মা বীরমুক্তিযোদ্ধা এ্যাড.ফজলুর রহমান এমপির ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে মোঃ এনামুল মোল্লা নিয়োগ পেলেন চুরি ও মাদকরোধে সরারচর বাজারে প্রশাসন ও ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ডাঃ এফ এম সিদ্দিকীকে-সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবুর অভিনন্দন ঐতিহ্যবাহী সাংবাদিক সংগঠন কিশোরগঞ্জ প্রেসক্লাব’র আনন্দঘন পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত ভৈরবে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপন কটিয়াদীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

মিঠামইনে বিএনপি ও আওয়ামীলীগ সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৩০ জন আহত

  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬
  • ১৫৮ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগ ও বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

আজ সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের হেমন্তগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা কাশেম গ্রুপ এবং একই গ্রামের বিএনপি নেতা নজির গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। এর জেরে সকালে লাউ কুড়ার মাঠে উভয় পক্ষের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন।

আহতদের মধ্যে বিএনপি নেতা নজির গ্রুপের ২১ জন রয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত আসাদ (৩৫) ও কাতল মিয়া (৩০)-কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এছাড়া গুরুতর আহত আরও পাঁচজনকে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যান্য আহতদের মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, ঈদের আগে থেকেই কাশেম চেয়ারম্যান গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্র মজুদ করছিলেন এবং ঈদের নামাজের পর হামলার পরিকল্পনা ছিল। তবে তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় আগের রাত থেকেই হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সকালে নজির গ্রুপের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে, যা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

অভিযোগ রয়েছে, কাশেম চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৫ আগস্টের পর অন্তত তিনটি মামলা রয়েছে এবং তিনি মাঝে মধ্যে ইতালিতে অবস্থান করেন, যেখানে তার নাগরিকত্বও রয়েছে।

মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী জানান, খবর পেয়ে কাটখাল পুলিশ ফাঁড়ি ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে আছে।

ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই ধরণের আরও নিউজ