মোঃ মিজানুর রহমান পাটোয়ারী, ভৈরব থেকেঃ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবের চন্ডিবের গ্রামের বালুর মাঠ থেকে পলিথিনে মোড়ানো এক নবজাতক (ছেলে বাচ্ছা) উদ্ধার করে এক দম্পতি। উদ্ধারের পর পরই রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে চিকিৎসা দেয়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এনে ভর্তি করা হয়। ডাক্তার ও নার্সদের প্রাণ পণ চেষ্টাকে হারমানিয়ে সকাল সাড় নয়টায় মারা যায় সে। খবর পেয়ে ভৈরব থানার পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে লাশ থানায় নিয়ে আসে।পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে বলে পুলিশ জানায়।
জানা যায়, গতকাল সন্ধায় চন্ডিবের গ্রামের হেলাল নামের একব্যক্তি বালুর মাঠে গেলে তার কানে নবজাতকের কান্নার আওয়াজ শুনতে পায়, সে পরে তার স্ত্রীকে ডেকে এনে খুঁজা খুঁজি করে তারা পায় একটি পলিথিনে মোড়ানো একটি প্যাকেট থেকে কান্নার আওয়াজ আসতেছে। পড়ে তারা প্যাকেট খুলে তারা রক্তাক্ত অবস্থায় এক নবজাতককে উদ্ধার করে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে চিকিৎসা দেয়। পরে তারা ওইখান থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে ভর্তি করে। প্রায় ১২ ঘন্টা পর ডাক্তারদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে সে সকাল সাড়ে নয়টায় সে মৃত্যুর কুলে ডলে পড়ে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কিশোর কুমার ধর জানান, বালুর মাঠ থেকে পলিথিনে মোড়ানো নবজাতককে উদ্ধার করে সন্তানহীন এক দম্পতি হাসপাতালে নিয়ে আসেন। নবজাতকটিকে সুস্থ করতে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। কিন্তু আজ সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।
ভৈরব থানার এসআই সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ওসি স্যারের নির্দেশে হাসপাতালে এসে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাচ্ছি। এক দম্পতি নবজাতকটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। একদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শিশুটির মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।